জুলুমের ধ্বংসাত্মক পরিণতি

Destructive consequences of oppression

Allah’s Messenger صلى الله عليه وسلم said:

“Beware of (committing) oppression, for verily oppression will be darkness on the Day of Resurrection.” [Saheeh Muslim, hadeeth no.2578/6553]

Al-Muanāwee (d1031A( رحمة الله said:

“Indeed, oppression in this world casts darkness upon its perpetrator, meaning: it produces darkness in the heart. So when the heart becomes enveloped in such darkness (its possessor is overtaken) by arrogance, chaos, confusion, and tyranny. Consequently guidance and insight vanish and disappear, and the heart is ruined. Thus, on the Day of Resurrection, its owner will find himself (engulfed) in darkness.”

Al-Bahral-Muheet ath-Thaje sharh Saheeh al-imam Muslim ibn al-Hajjaj, vol. 40, pg.562, Dar ibn al-Jawzi, print, 1st edition

জুলুমের ধ্বংসাত্মক পরিণতি

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন:

“তোমরা জুলুম থেকে সাবধান থাকো! নিশ্চয়ই জুলুম কিয়ামতের দিন অন্ধকারে পরিণত হবে।” [সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ২৫৭৮/৬৫৫৩]

আল-মুআনাওয়ী (মৃ. ১০৩১হি) রাহিমাহুল্লাহ বলেছেন:

“নিশ্চয়ই এই দুনিয়ায় জালিম ব্যক্তির জুলুম তার ভিতরে অন্ধকার তৈরি করে, অর্থাৎ: সেটি অন্তরে অন্ধকার তৈরি করে। যখন অন্তর অন্ধকারে আচ্ছন্ন হয় তখন সেটি (জালিম ব্যক্তিকে) অহংকার, বিশৃঙ্খলা, বিভ্রান্তি ও সীমালঙ্ঘন দিয়ে পরিবেষ্টন করে। ফলস্বরূপ, হিদায়াত এবং অন্তর্দৃষ্টি লোপ পায় এবং তা হারিয়ে যায় এবং অন্তর ধ্বংস হয়ে যায়। ফলস্বরূপ কিয়ামতের দিন জালিম ব্যক্তি নিজেকে অন্ধকারাচ্ছন্ন অবস্থায় পাবে।”

উৎস: আল-বাহর আল-মুহীত আস-সাজাজ শারহ সাহীহ আল-ইমাম মুসলিম ইবন আল-হাজ্জাজ, খণ্ড ৪০, পৃ. ৫৬২, দার ইবন আল-জাওযী মুদ্রণ, প্রথম সংস্করণ।

Support The Da'wah In Bangladesh

The Messenger (ﷺ) said: “And save yourselves from the hell fire even if it be with the piece of a date.”

Recent Posts

Recommended Readings

ইসলাম

ইসলাম হলো আদম (‘আলাইহিস সালাম) থেকে মুহাম্মাদ (ﷺ) পর্যন্ত সকল নবীর দীন। একজন মুসলিম হলেন সেই ব্যক্তি যিনি এই দীনকে কবুল করেন এবং এর উপর আমল করেন। মুসলিমরা একমাত্র সত্য মা'বূদ (আরবিতে আল-ইলাহ) আল্লাহকে বাদ দিয়ে অন্য কারো ইবাদত করেন না। মুসলিমরা সকল প্রকার শিরক পরিত্যাগ করেন এবং তারা মানবজাতির প্রতি প্রেরিত সর্বশেষ রাসূল মুহাম্মাদ (ﷺ)-এর প্রদর্শিত শিক্ষার অনুসরণ করেন। এটিই হলো সালাফিয়্যাহর ভিত্তি।

আমাদের দাওয়াহ
সুন্নাহ

সুন্নাহ হলো নবী (ﷺ) ও তাঁর সাহাবাদের পথ। যিনি এই পথের অনুসরণ করেন তাকে সুন্নী বলা হয় এবং তিনি আহলুস-সুন্নাহ ওয়াল জামাআহ’র অন্তর্ভুক্ত। মাঝেমধ্যে, শিয়া সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত নয় এমন কাউকে বুঝানোর জন্যও সুন্নী শব্দটি সাধারণভাবে ব্যবহৃত হয়। তবে, শুধু শিয়া না হওয়াটা কোনো ব্যক্তিকে পথভ্রষ্টতায় নিপতিত হওয়া থেকে বাঁচানোর জন্য যথেষ্ট নয়।

আমাদের দাওয়াহ
আস-সালাফ আস-সালেহ

আস-সালাফ আস-সালেহ হলেন মুহাম্মাদ (ﷺ)-এর সাহাবা ও তাঁদের পরবর্তী তিন প্রজন্ম। তাদেরকে আহলুস-সুন্নাহ ওয়াল-জামা’আহ, আস-সালাফ,আছহাবুল-হাদীস এবং আহলুল-হাদীসও বলা হয়। যে ব্যক্তি তাঁদের পথকে কবুল করেন এবং তাঁদের আক্বীদাহ, মানহাজ ও দীনকে অবিকল অনুসরণ করেন, তিনি প্রকৃত হিদায়াতের উপর প্রতিষ্ঠিত।

আমাদের দাওয়াহ
সালাফিয়্যাহ

সালাফিয়্যাহ হলো ইসলাম ও সুন্নাহ অনুসরণের প্রকৃত পথ। একজন সালাফী হচ্ছেন সেই ব্যক্তি, যিনি অবিকল কোনো পরিবর্তন ছাড়াই সালাফে-সালেহীনের পথকে অনুসরণ করেন।

আমাদের দাওয়াহ
সুন্নী

সুন্নী, আহলুস-সুন্নাহ ওয়াল-জামাআহ, আছহাবুল-হাদীস এবং আহলুল-হাদীস এই সবই সমার্থক উপাধি । এই উপাধিগুলো একই পথের অনুসারী একটি দলকে বুঝায়। যাইহোক, যারা এই উপাধিগুলোকে ব্যবহার করে, তাদের প্রত্যেকেই প্রকৃত অর্থে নিজ দাবির অনুগামী নন। প্রকৃত অর্থে, বেশিরভাগ মানুষ, যারা এই উপাধিগুলোর সাথে নিজেকে যুক্ত করে তারা সালাফে-সালেহীনের আক্বীদাহ ও মানহাজের বিরোধিতা করে। একজন নিছক দাবিদার ও একজন প্রকৃত অনুসারীর মাঝে পার্থক্য স্থাপন করাই এই অনুচ্ছেদের অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য।

আমাদের দাওয়াহ

Discover more from Markaz Al-Imam At-Tahawee Foundation

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading

দাওয়াহর কাজে সহযোগিতা করুন (Support The Dawah)

জীবনী এবং ইতিহাস প্রবন্ধ (Articles) কার্ড (Cards) অডিও (Audios)
আমাদের ভিজিট করুন (Visit Us) মারকাযের ঠিকানা (Markaz Location) আমাদের সম্পর্কে (About Us) আমাদের দাওয়াহ (Our Dawah) যোগাযোগ করুন (Contact Us)