الحمد لله رب العالمين والصلاة والسلام على رسوله الأمين وبعد
বিসমিল্লাহ ওয়ালহামদুলিল্লাহ ওয়াস-সালাতু ওয়াস-সালামু ‘আলা রাসূলিল্লাহ
আম্মা বা’দ:
বরকতময় রামাদান মাসের সর্বশেষ এই দিনটি এত দ্রুততার সহিত অতিবাহিত হতে দেখে, নিঃসন্দেহে আমাদের দুঃখ হচ্ছে। সময়ের এই দ্রুত গতিবিধি যা আমরা আজ প্রত্যক্ষ করছি, সম্মানিত সাহাবী আবদুল্লাহ ইবনু মাসঊদ – রাদিয়াল্লাহু আনহুর সেই কথাকে স্মরণ করিয়ে দিচ্ছে, যিনি বলেছিলেন:
“আমি কোনো কিছুর উপর এতটা আক্ষেপ করি না ঐ দিন ব্যতীত যাতে সূর্য অস্তমিত হয়, আমার নির্ধারিত সময় সংক্ষিপ্ত হয় অথচ আমার আমল বৃদ্ধি পায় না।”
তবে সার্বক্ষণিক এই কথাকে স্মরণ রাখা উচিত যে (যেহেতু) প্রতিটি বিষয়ের (গ্রহণযোগ্যতা) তার সর্বশেষ অবস্থার উপর নির্ভরশীল (যেমনটি একটি সহীহ হাদিসে এসেছে), তাই এই রামাদান মাসের সমাপ্তিটুকু যেন আল্লাহর কাছে ইস্তিগফার (ক্ষমা প্রার্থনা) এবং তাওবার (অনুশোচনার) মাধ্যমেই হয়।
কেননা নিঃসন্দেহে ইস্তিগফার হচ্ছে সৎকর্মসমূহের সীলমোহর।
যেমনটি মহান আল্লাহ তাঁর রাসূলকে (ﷺ) তার জীবনের সর্বশেষ পর্যায়ে সম্বোধন করে বলেছিলেন:
“যখন আল্লাহর সাহায্য ও বিজয় আসবে আর আপনি মানুষকে দলে দলে আল্লাহ্র দ্বীনে প্রবেশ করতে দেখবেন, তখন আপনি আপনার রবের প্ৰশংসাসহ তাঁর পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করুন ও তাঁর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করুন, নিশ্চয়ই তিনি তাওবা কবুলকারী।” (সূরাতুন নাসর)
মহান আল্লাহ একইভাবে হুজ্জাজদের (হাজীদের) নির্দেশ দিয়েছেন, হজের আনুষ্ঠানিকতা শেষে তারা যেন ইস্তিগফার করেন।
“অতঃপর তোমরা প্রত্যাবর্তন করো, যেখান থেকে মানুষেরা প্রত্যাবর্তন করে এবং আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাও। নিশ্চয় আল্লাহ ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।” (সূরাতুল বাকারাহ ১৯৯)
এরকম আরও অনেক উদাহরণ বিদ্যমান।
এই উম্মাহর সালাফগণ তাঁদের আমল সম্পাদনের পর তা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার আশঙ্কা বেশি করতেন। যেমন আল্লাহ আমাদের জানিয়েছেন:
“এবং যারা যা দান করার, তা করে ভীত শঙ্কিত অন্তর নিয়ে কারণ তারা নিশ্চিত যে তাদের পালনকর্তার কাছে তাদেরকে ফিরে যেতে হবে।” (সূরাতুল মু’মিনূন ৬০)
কিন্তু এই মাস শেষ হওয়ার সাথে সাথে আমাদের মধ্যে এমন অনুভূতিগুলো কোথায়?
যেমন আলী-রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেছেন:
“তোমার আমল কবুল হওয়ার ক্ষেত্রে তেমনি ভাবে উদগ্রীব থাকো, যেমনি ভাবে কর্ম সম্পাদনের ক্ষেত্রে তুমি থেকে থাকো। তুমি কি আল্লাহর বাণী শোনোনি:
“আল্লাহ শুধুমাত্র মুত্তাকীদের আমলই কবুল করে থাকেন।” (সূরাতুল মায়িদাহ ২৭)
আল্লাহ যেন আমাদের রোজা, নামায ও নেক আমল কবুল করেন এবং আমাদেরকে একটি বরকতময় ঈদ দান করেন।
ওয়া সাল্লাল্লাহু ‘আলা নাবীয়্যিনা মুহাম্মাদ ওয়া ‘আলা আলীহি ওয়াস-সাহবীহি আজমাঈন
আবু হাকিম বিলাল ডেইভিস
সূত্র :https://ah-sp.com/2012/08/18/seal-ramadhaan-with-istighfaar/
Share this:
- Share on X (Opens in new window) X
- Share on Facebook (Opens in new window) Facebook
- Email a link to a friend (Opens in new window) Email
- Share on Pinterest (Opens in new window) Pinterest
- Share on Telegram (Opens in new window) Telegram
- Share on WhatsApp (Opens in new window) WhatsApp
- Print (Opens in new window) Print
- Share on LinkedIn (Opens in new window) LinkedIn
- Share on Tumblr (Opens in new window) Tumblr

















