الحمد لله رب العالمين والصلاة والسلام على رسوله الأمين وبعد
শাইখ রাবী’ বিন হাদী আল-মাদখালী (হাফিযাহুল্লাহ) বলেছেন:
“আমি আপনাদের সবাইকে আল্লাহকে ভয় করার উপদেশ দিচ্ছি এবং শুধু তাঁরই জন্য পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ববোধ, নম্রতা, দয়া ও ভদ্রতা বজায় রাখার উপদেশ দিচ্ছি। কেননা আল্লাহ সকল বিষয়ে নম্রতাকে পছন্দ করেন।
হ্যাঁ, এমন অল্প বয়সী সালাফী আছে যে কোনোমতে ইস্তিক্বামাতের উপর আছে, আবার আপনি কিছু সালাফী যুবকদের মাঝে এমন কঠোরতা দেখতে পাবেন যা হাদ্দাদীদের কঠোরতার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।
এই (দু’টোই) পরিহার করা অত্যাবশ্যক, বারাকাল্লাহু ফীক। ‘উলামারা বলেছেন, “যে কঠোর সে মানুষকে তাড়িয়ে দেয়।” আর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, “তোমরা সহজ করো, কঠিন কোরো না। সুসংবাদ দাও, মানুষকে তাড়িয়ে দিও না।”
তাই হে যুবক! আপনার ভাইদের প্রতি নম্র হোন। যে সুন্নাহর প্রতি কিছুটা হলেও আনুগত্যশীল সে যেন ধৈর্য, সহনশীলতা, নম্রতা, দয়া ও সুউচ্চ নৈতিকতার সহিত তার (ভাইয়ের ভুল-ত্রুটিগুলোকে) সমাধান করে। তার প্রতি নম্র হোন (বিশেষ করে) যার মধ্যে সালাফিয়্যাহ আছে আবার কিছু দুর্বলতাও আছে।
রুক্ষতা, কঠোরতা, রূঢ়তা ও অভদ্রতা নিয়ে তার মুখোমুখি হবেন না। বারাকাল্লাহু ফীক! এটা আল্লাহর কাছে ঘৃণিত। এই ক্ষেত্রে ক্ষমাশীল ও সহনশীল হওয়া ওয়াজিব, বারাকাল্লাহু ফীক।
আর যারা (দীন চর্চায়) পিছিয়ে আছে, তাদের অবশ্যই নিজেকে নিজে উদ্বুদ্ধ করতে হবে ও সৎকাজের প্রতি সচেষ্ট হতে হবে। ভাইদের সাথে ঘনিষ্ঠ হতে হবে, এবং তাদের ভালোবাসা পাওয়ার জন্য প্রচেষ্টা চালাতে হবে।
এই প্রচেষ্টা অবশ্যই দুই দিক থেকে হতে হবে :
১) আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য ইলম ও ভ্রাতৃত্ব অন্বেষণ;
২) এবং ক্ষমাশীলতা “…কাফেরদের প্রতি কঠোর, একে অপরের প্রতি ক্ষমাশীল।”আপনাকে ক্ষমাশীল হতে হবে, বারাকাল্লাহু ফীক। যদি আপনার ভাই ভুল করে, তাকে ক্ষমা ও হিকমাহর সাথে সংশোধন করুন।
আমি বহুবার বলেছি, একজন ভাইকে চিকিৎসকের মতো হতে হবে। যদি আমাদের মাঝে কেউ ভুল করে, তবে সে ঐ অসুস্থ ব্যক্তিকে চিকিৎসালয়ে নিয়ে যাবে, অতঃপর সৌজন্যতা ও প্রজ্ঞার সহিত তার চিকিৎসা করবে। দুর্ভাগ্যবশত, কেউ ভুল করলে, কিছু লোক এতটাই কঠোর ও তীব্র হয়ে উঠে যে তারা তাকে চূড়ান্ত আঘাত করে বসে।
সুতরাং এই ধ্বংসাত্মক কঠোরতা ও শৈথিল্য থেকে নিজেকে দূরে রাখুন যা সত্যকে বিনষ্ট করে। একে অপরের প্রতি ক্ষমাশীল হোন, হিকমাহ ও সুষ্ঠু আচরণের মাধ্যমে উপদেশ দিন।
আমি আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করছি তিনি যেন আমাদেরকে এই বিভক্তি ও বিচ্ছিন্নতা থেকে মুক্তি দেন। উত্তম আখলাক্ব দিয়ে নিজেকে সুসজ্জিত করা ও সবার সাথে সদাচরণ করাই এর একমাত্র প্রতিকার।
আমি আল্লাহর কাছে দু‘আ করছি তিনি যেন আমাদেরকে ও আপনাদেরকে ইলমের প্রতি ভালোবাসা, নম্রতা, ভদ্রতা, ইলম অর্জনের প্রচেষ্টা, আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন ও পারস্পরিক সুসম্পর্ক গঠন করার মতো উত্তম আদাব-আখলাক্ব দিয়ে সুসজ্জিত করে দেন;
আর এই সমস্ত কিছু শুধু আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য, দুনিয়াবী বা অন্য কোনো উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য নয়। নিশ্চয়ই আমাদের রব সমস্ত দু‘আ শ্রবণ করেন।”
উৎস:
Share this:
- Share on X (Opens in new window) X
- Share on Facebook (Opens in new window) Facebook
- Email a link to a friend (Opens in new window) Email
- Share on Pinterest (Opens in new window) Pinterest
- Share on Telegram (Opens in new window) Telegram
- Share on WhatsApp (Opens in new window) WhatsApp
- Print (Opens in new window) Print
- Share on LinkedIn (Opens in new window) LinkedIn
- Share on Tumblr (Opens in new window) Tumblr

















