Generic selectors
Exact matches only
Search in title
Search in content
Post Type Selectors
Generic selectors
Exact matches only
Search in title
Search in content
Post Type Selectors

কীভাবে একজন মুসলিম রামাদান মাসকে স্বাগত জানাবে এবং এই মাসকে নিয়ে সালাফদের নির্দেশনা – ইবন রজব, ইবন বায, ইবন উসাইমীন

কীভাবে একজন মুসলিম রামাদান মাসকে স্বাগত জানাবে এবং এই মাসকে নিয়ে সালাফদের নির্দেশনা – ইবন রজব, ইবন বায, ইবন উসাইমীন

মুসলিমদের জন্য রামাদান মাসের রোযা রাখা ফরয এবং তা ইসলামের স্তম্ভসমূহ হতে একটি স্তম্ভ। তাই রামাদান মাসের আগমনের সাথে সাথে রোযা রাখা এবং রাতের সালাতের (ক্বিয়ামুল লাইল) মতো বিভিন্ন ইবাদতের জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করা অত্যাবশ্যক। সুতরাং, এই মাসের প্রস্তুতি স্বরূপ একজন মুসলিমের জন্য এ সংক্রান্ত বিধিনিষেধ শেখা এবং তা বুঝা অত্যাবশ্যক, কেননা এমন অসংখ্য লোক আছে যারা এর বিধিনিষেধ সম্পর্কে অজ্ঞ বা গাফেল, ফলস্বরূপ তারা এমন কাজে লিপ্ত হতে পারে যে সম্পর্কে সতর্ক করা হয়েছে বা নিষেধ করা হয়েছে যার ফলে তাদের রোযার সওয়াব হ্রাস পেতে পারে বা তা সম্পূর্ণরূপে বাতিলও হয়ে যেতে পারে। তাই এর বিধিনিষেধ সম্পর্কে জানা অত্যন্ত জরুরি, এবং এর পাশাপাশি অন্যান্য বিষয় আছে যা রামাদান মাস আগমন করার সাথে সাথে একজন মুসলিম বাস্তবায়ন করে এবং সে বিষয়ে পদক্ষেপ গ্রহণ করে যেমন:

রামাদান মাসের আগমনে একজন ব্যক্তি উৎফুল্ল ও আনন্দিত হবে

রামাদান মাসের আগমন এক মহা আনন্দের বিষয়, কারণ তা মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে ক্ষমা পাওয়ার একটি সুযোগ, যা এই (মাসে) রোযা রাখা এবং নামাযে দাঁড়ানোর মাধ্যমে বাস্তবায়িত হয়।

আবূ ​​হুরাইরা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত তিনি বলেছেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন:

مَن قَامَ رَمَضَانَ إيمَانًا واحْتِسَابًا، غُفِرَ له ما تَقَدَّمَ مِن ذَنْبِهِ

“যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে এবং সওয়াবের আশায় রামাদানের রোযা রাখবে তার পূর্বের সমস্ত গুনাহ মাফ করে দেওয়া হবে’’[১]

আবূ ​​হুরাইরা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু)-এর অন্য এক হাদীসে বর্ণিত হয়েছে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন:

مَن قَامَ رَمَضَانَ إيمَانًا واحْتِسَابًا، غُفِرَ له ما تَقَدَّمَ مِن ذَنْبِهِ

যে ব্যক্তি রামাদান মাসে ঈমানের সাথে এবং সওয়াবের আশায় (ক্বিয়ামুল লাইলের জন্য) দাঁড়াবে তার পূর্বের সমস্ত গুনাহ মাফ করে দেওয়া হবে।[২]

অনুরূপভাবে এই মাসে জান্নাতের দরজাগুলো খুলে দেওয়া হয় এবং জাহান্নামের দরজাগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়, যেমনটি আবূ হুরাইরা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু)-এর হাদীসে বর্ণিত হয়েছে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন:

إِذَا جَاءَ رَمَضَانُ فُتِّحَتْ أَبْوَابُ الْجَنَّةِ وَغُلِّقَتْ أَبْوَابُ النَّارِ وَصُفِّدَتِ الشَّيَاطِين

“যখন রামাদান আসে, তখন জান্নাতের দরজাগুলো খুলে দেওয়া হয় এবং জাহান্নামের দরজাগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং শয়তানদেরকে শিকলবন্দি করা হয়।”[৩]

ইবনু রজব (রাহিমাহুল্লাহ) বলেছেন: “কীভাবে একজন মুমিন ব্যক্তি জান্নাতের দরজাসমূহ খোলার সুসংবাদ পেয়ে আনন্দিত হয়না? কীভাবে একজন পাপীষ্ঠ ব্যক্তি জাহান্নামের দরজাসমূহ বন্ধের সুসংবাদ পেয়ে আনন্দিত হয়না? কীভাবে একজন বুদ্ধিমান ব্যক্তি ঐসময়ের সুসংবাদ পেয়ে আনন্দিত হয়না যখন শয়তানদেরকে শিকলবন্দি করা হয়? এই সময়ের সাথে কি অন্যান্য সময়ের কোনো তুলনা হয়?[৪]

শাইখ আব্দুল আযীয বিন বায (রাহিমাহুল্লাহ) রামাদান মাসের আগমন সম্পর্কে বলেছেন: “একজন মুসলিমের উচিত হলো আনন্দ, উদ্দীপনা, প্রশান্তি এবং আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশের মাধ্যমে একে গ্রহণ করা কারণ তিনি তাকে রামাদান পর্যন্ত পৌঁছানোর তাওফীক্ব দিয়েছেন অতঃপর তাকে ঐ জীবিত ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করেছেন যারা সৎকর্মে প্রতিযোগিতা করার ক্ষমতা রাখে।” সত্যিকার অর্থে রামাদান মাসে পৌঁছাতে পারা নিশ্চয়ই আল্লাহ প্রদত্ত এক বিরাট নিয়ামত, আর ঠিক এই কারণে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এই (মাসের) ফযীলত সম্পর্কে বর্ণনা করতেন এবং সাহাবীদেরকে রামাদানের আগমনের সুসংবাদ দিতেন।”[৫]

পূর্বে যা উল্লেখ করা হয়েছে (সে অনুযায়ী) রামাদানের আগমন উপলক্ষ্যে একজন মুসলিমের আনন্দিত হওয়া উচিত, কারণ এটি একটি সুযোগ যার মাধ্যমে মহান আল্লাহর ক্ষমা লাভ করা যায় এবং এই মাসে যেসব কল্যাণ নিহিত আছে সেগুলো থেকে ফায়দা নেওয়া যায়। শাইখ উসাইমীন (রাহিমাহুল্লাহ) বলেছেন: “যে ব্যক্তি রামাদান মাসে উপনীত হয় এবং আল্লাহ তাকে এত্থেকে ফায়দা নেওয়ার তাওফীক্ব দান করেন, তবে নিশ্চয়ই আল্লাহ তাকে এক বিরাট নিয়ামত দান করেছেন যার কোনো তুলনা হয়না।”[৬]

রামাদানের আগমনকে কেন্দ্র করে মুসলিমরা যে আনন্দ অনুভব করে তা শাইখ উসাইমীন (রাহিমাহুল্লাহ) আরও বিশদভাবে ব্যাখ্যা করেছেন: “বাস্তবতা হলো, দুটি কারণে মুসলিমরা রামাদান মাসে আনন্দবোধ করে:

প্রথমত: যে কারণে সে আনন্দবোধ করে তা হলো সে রামাদান জুড়ে ইবাদতে আত্মনিয়োগ করে যার ফলে সে প্রচুর ইবাদত করে, যা নিঃসন্দেহে তার (এই মাসের) ভিত্তি ও উদ্দেশ্য – আর এটি উত্তম।

দ্বিতীয়ত: যে কারণে সে আনন্দবোধ করে তা হলো এই মাসে কল্যাণের আধিক্য এবং আল্লাহর নিয়ামতের আধিক্য, তাঁর বান্দাদের প্রতি তাঁর দয়া এবং রোযা রাখার মতো বিভিন্ন কারণ যার মাধ্যমে আল্লাহ তাঁর বান্দাকে ক্ষমা করেন।

তবে এই দুটি কারণের সমন্বয়ে রামাদান মাসকে উদযাপন করা একজন ব্যক্তির জন্য উত্তম।”[৭]

গুনাহ থেকে তাওবাহ করা

শাইখ আব্দুল আযীয বিন বায (রাহিমাহুল্লাহ) বলেছেন: “একজন মুসলিমের জন্য করণীয় হলো আন্তরিকভাবে তাওবাহ করার মাধ্যমে এই পবিত্র মাসটিকে স্বাগত জানানো, অতঃপর রোযা রাখা ও (নামাযে) দাঁড়ানোর জন্য তার নিয়তকে পরিশুদ্ধ করা ও দৃঢ় সংকল্প নিয়ে প্রস্তুতি গ্রহণ করা।”[৮]

শাইখ (রাহিমাহুল্লাহ) আরো বলেছেন: “এই পবিত্র মাসটি আগমন করার পূর্বে তাওবাহ করার ব্যাপারে বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে যেন আপনি গুনাহ থেকে মুক্ত থাকা অবস্থায় তা আপনার নিকট উপনীত হয়, আল্লাহ তাআলা তাওবাহর মাধ্যমে আপনার আমলনামা থেকে সেগুলো মুছে ফেলতে পারেন। অতঃপর রামাদান মাসে সৎকর্ম করার দৃঢ় সংকল্প করতে হবে।”[৯]

শাইখ উসাইমীন (রাহিমাহুল্লাহ) বলেছেন: “রামাদান মাসকে স্বাগত জানানোর সর্বোত্তম পদ্ধতি হলো তাওবাহ, একনিষ্ঠ তাওবাহ যা গ্রহণযোগ্য – যত বড় গুনাহই হোক না কেন।”[১০]

শাইখ উসাইমীন (রাহিমাহুল্লাহ) তাঁর রামাদানের আগমন সংক্রান্ত কিছু উপদেশের শেষাংশে বলেছেন: “যে বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ তা হলো সেই উপদেশ যা আমি নিজেকে এবং দ্বিতীয়ত আমার মুসলিম ভাইদের উদ্দেশ্যে দিচ্ছি: মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহর নিকটে অনুতপ্ত হয়ে ফিরে যাওয়া, তাঁর নিকট তাওবাহ করা, এবং রামাদান মাসসহ অন্যান্য মাসে নিজের সাধ্য অনুযায়ী তাঁর আনুগত্যের উপর অবিচল থাকা।”[১১]

গুনাহ থেকে তাওবাহ করা এবং তা পরিত্যাগ করার ক্ষেত্রে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ হওয়া কেবল রামাদান মাসের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং রামাদান মাসসহ অন্যান্য (মাসগুলোতেও) গুনাহ থেকে তাওবাহ করতে হবে এবং সেগুলো পরিত্যাগ করার ক্ষেত্রে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ হতে হবে। শাইখুল ইসলাম ইবনু তাইমিয়্যাহ (রাহিমাহুল্লাহ) বলেছেন: “যে ব্যক্তি শুধু রামাদান মাসে গুনাহ ত্যাগ করার সংকল্প করে কিন্তু অন্যান্য সময়ে তাতে লিপ্ত হয়, তবে সে প্রকৃত তাওবাকারী নয়; বরং সে এমন কেউ যে শুধু রামাদানে সেই গুনাহ ত্যাগ করে।”[১২]

ইখলাসের সাথে চেষ্টা করা এবং নিজের কল্যাণের জন্য এই সুযোগকে কাজে লাগানোর প্রতি আত্মনিয়োগ করা

এই মাসটিতে একজন মুসলিমের জন্য যা অবশ্য করণীয় তা হলো গুনাহ থেকে ক্ষমা লাভ করার জন্য এবং বিভিন্ন ধরনের ইবাদত থেকে সাওয়াব অর্জনের উদ্দেশ্যে আন্তরিকভাবে চেষ্টা করা এবং যে বিশাল সুযোগটি তাকে প্রদান করা হয়েছে তা হাতছাড়া না হওয়ার প্রতি লক্ষ্য রাখা।

শাইখ উসাইমীন (রহিমাহুল্লাহ) বলেছেন: “রামাদানকে কেন্দ্র করে একজন মুসলিমের যা করণীয় তা হলো একটি উৎফুল্ল প্রশান্ত অন্তর ও রূহ নিয়ে এ মাসকে স্বাগত জানানো যা সৎকর্ম সম্পাদন করার লক্ষ্যে এবং মন্দ কাজ পরিত্যাগ করার জন্য দৃঢ়প্রতিজ্ঞ হবে।”[১৩]

শাইখ (রাহিমাহুল্লাহ) আরও বলেছেন: “নিশ্চয়ই রামাদান মাস হলো লাভ এবং প্রাপ্তির মাস, তাই ইবাদত, নামায, কুরআন তিলাওয়াত, যিকির, মানুষকে ক্ষমা করা এবং সৎকর্ম সম্পাদনের মাধ্যমে নিজেদেরকে সমৃদ্ধ করুন। একইভাবে আপনাদের মাঝে যে শত্রুতা, ঘৃণা এবং বিদ্বেষ রয়েছে তা মিটিয়ে ফেলুন।”[১৪]

শাইখ উসাইমীন (রহিমাহুল্লাহ) আরও বলেছেন: “আমাদের উচিত হলো এই সুযোগটি লুফে নেওয়া; কারণ পরবর্তী রামাদান আসার আগেই একজন মানুষ মৃত্যুবরণ করতে পারে। আপনারা যেমন জানেন, গত বছর আপনাদের মাঝে এমন অনেকে জীবিত ছিল, কিন্তু আজ তারা তাদের কবরে শায়িত আছে; তারা তাদের আমলের সাথে আবদ্ধ, তারা যেসব সৎকর্ম করেছিল সেগুলোর একটি সাওয়াবও বৃদ্ধি করার ক্ষমতা তাদের নেই, এবং তারা যেসব মন্দকর্ম করেছিল সেগুলোর একটি গুনাহও মুছে ফেলার ক্ষমতা তাদের নেই। তাদের সাথে যা ঘটেছে তা আপনাদের সাথেও ঘটতে পারে; বরং (একদিন) তা অবশ্যই আপনাদের সাথে ঘটবে; এমনকি আপনাদের কাছে আরেকটি রামাদান আসার পূর্বেই তা আপনাদের সাথে ঘটতে পারে। সুতরাং, এই সুযোগটি লুফে নিন![১৫]

রামাদান মাসকে স্বাগত জানানোর ক্ষেত্রে সালাফদের নির্দেশনা

শাইখ উসাইমীন (রহিমাহুল্লাহ) বলেছেন: “রামাদানকে স্বাগত জানানোর ক্ষেত্রে সালাফদের পদ্ধতি ছিল এমন যে তারা প্রফুল্লতা, প্রচেষ্টা ও সংগ্রামের সাথে রামাদানকে স্বাগত জানাতেন। তাঁরা যে সুযোগই পেতেন তা লুফে নিতেন। এভাবে তাঁরা বেশি করে কুরআন তিলাওয়াত, যিকির, সালাত, সাদাক্বাহ (দান), পরোপকার ও অন্যান্য (নেক আমল) করতেন।

كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَجْوَدَ النَّاسِ وَكَانَ أَجْوَدُ مَا يَكُونُ فِي رَمَضَانَ حِينَ يَلْقَاهُ جِبْرِيلُ وَكَانَ يَلْقَاهُ فِي كُلِّ لَيْلَةٍ مِنْ رَمَضَانَ فَيُدَارِسُهُ الْقُرْآنَ فَلَرَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَجْوَدُ بِالْخَيْرِ مِنْ الرِّيحِ الْمُرْسَلَةِ

“আল্লাহর রাসূল (ﷺ) মানুষের মাঝে সবচেয়ে বেশি দানশীল ছিলেন আর রামাদান মাসে তিনি আরো বেশি দানশীল হতেন যখন জিবরীল (আলাইহিস সালাম) তাঁর সাথে সাক্ষাৎ করতেন। রামাদানের প্রতি রাতে জিবরীল তাঁর সাথে সাক্ষাৎ করতেন এবং তাঁকে কুরআন শিক্ষা দিতেন। কল্যাণকর কাজে আল্লাহর রাসূল (ﷺ) প্রবল বাতাসের চেয়েও অধিক দানশীল ছিলেন।”[১৬]

তাই রামাদানের আগমনে আমাদের আনন্দিত হওয়া উচিত এবং নেক আমল করার প্রতি সচেষ্ট হওয়া উচিত, এবং (এর মাধ্যমে) রামাদানের সুবর্ণ সুযোগকে গ্রহণ করা উচিত যা আমাদেরকে আল্লাহর নিকটবর্তী করবে। কারণ নিশ্চয়ই মানুষ জানে না সে সামনের বছর ও তার পরের বছরগুলোতে রামাদান পাবে কি পাবে না। কল্যাণের মাসগুলো ব্যবসার মৌসুমের মতো। ব্যবসায়ীরা যেমন বেচা-কেনার মৌসুমের জন্য প্রস্তুতি নেয়, বিভিন্ন প্রকারের মালামাল আনে, বেশি করে (জমা করে)। ঠিক একইভাবে সৎ আমল করার মাধ্যমে ও হারাম থেকে বিরত থাকার মাধ্যমে আমাদেরকে রামাদানের আগমনের জন্য পরিপূর্ণভাবে প্রস্তুতি গ্রহণ করতে হবে।[১৭]

وصلى الله وسلم على نبينا محمد وعلى آله وصحبه أجمعين

পাদটীকা:


[১] আল-বুখারী (নং ৩৮) এবং মুসলিম (নং ১৭৭৮)
[২] আল-বুখারী (নং ৩৭) এবং মুসলিম (নং ৭৫৯)
[৩] আল-বুখারী (নং ১৮৯৮ এবং ১৮৯৯) – শব্দের সামান্য তারতম্য সহকারে, এবং মুসলিম (নং ২৪৯২) এবং উপরিউক্ত শব্দগুলো মুসলিমের।
[৪] লাত্বাইফ আল-মা‘আরিফ (পৃ.২০৩-২০৪)
[৫] মাজমু’ ফাতাওয়া (খণ্ড ১৫) (পৃ.৯-১০)
[৬] মাজালিস আর-রামাদান (পৃ.১১)
[৭] লিকা‘আত আর রামাদানিয়্যাহ (পৃ.৩১)
[৮] মাজমু’ ফাতাওয়া (খণ্ড ১৫) (পৃ.১০)
[৯] ফাতাওয়া নূর আলা আদ-দার্ব (নং ১৪৯)
[১০] ফাতাওয়া নূর আলা আদ-দার্ব (নং ৯৮)
[১১] মাজমু’ ফাতাওয়া (খণ্ড ১৯) (পৃ.৩৫)
[১২] মাজমু’ ফাতাওয়া (খণ্ড ১০) (পৃ.৭৪৩)
[১৩] শারহ মিশকাত আল-মাসাবীহ (খণ্ড ২) (পৃ.৬৫৬)
[১৪] আদ্ব-দ্বিয়া আল-লামী’ (খণ্ড ২) (পৃ.১৬৫)
[১৫] লিক্বা‘আত আর-রামাদানিয়্যাহ (পৃ.১৭)
[১৬] ইবনু আব্বাসের (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হাদীস থেকে আল-বুখারী (নং ৬) এবং অনুরূপ শব্দে মুসলিম (নং ৫৯৬৪) বর্ণনা করেছেন।
[১৭] ফাতাওয়া সুআল আলা আল-হাতিফ (খণ্ড ১) (পৃ.৭২৯)

Support The Da'wah In Bangladesh

Recent Posts

Recommended Readings

ইসলাম

ইসলাম হলো আদম (‘আলাইহিস সালাম) থেকে মুহাম্মাদ (ﷺ) পর্যন্ত সকল নবীর দীন। একজন মুসলিম হলেন সেই ব্যক্তি যিনি এই দীনকে কবুল করেন এবং এর উপর আমল করেন। মুসলিমরা একমাত্র সত্য মা'বূদ (আরবিতে আল-ইলাহ) আল্লাহকে বাদ দিয়ে অন্য কারো ইবাদত করেন না। মুসলিমরা সকল প্রকার শিরক পরিত্যাগ করেন এবং তারা মানবজাতির প্রতি প্রেরিত সর্বশেষ রাসূল মুহাম্মাদ (ﷺ)-এর প্রদর্শিত শিক্ষার অনুসরণ করেন। এটিই হলো সালাফিয়্যাহর ভিত্তি।

আমাদের দাওয়াহ
সুন্নাহ

সুন্নাহ হলো নবী (ﷺ) ও তাঁর সাহাবাদের পথ। যিনি এই পথের অনুসরণ করেন তাকে সুন্নী বলা হয় এবং তিনি আহলুস-সুন্নাহ ওয়াল জামাআহ’র অন্তর্ভুক্ত। মাঝেমধ্যে, শিয়া সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত নয় এমন কাউকে বুঝানোর জন্যও সুন্নী শব্দটি সাধারণভাবে ব্যবহৃত হয়। তবে, শুধু শিয়া না হওয়াটা কোনো ব্যক্তিকে পথভ্রষ্টতায় নিপতিত হওয়া থেকে বাঁচানোর জন্য যথেষ্ট নয়।

আমাদের দাওয়াহ
আস-সালাফ আস-সালেহ

আস-সালাফ আস-সালেহ হলেন মুহাম্মাদ (ﷺ)-এর সাহাবা ও তাঁদের পরবর্তী তিন প্রজন্ম। তাদেরকে আহলুস-সুন্নাহ ওয়াল-জামা’আহ, আস-সালাফ,আছহাবুল-হাদীস এবং আহলুল-হাদীসও বলা হয়। যে ব্যক্তি তাঁদের পথকে কবুল করেন এবং তাঁদের আক্বীদাহ, মানহাজ ও দীনকে অবিকল অনুসরণ করেন, তিনি প্রকৃত হিদায়াতের উপর প্রতিষ্ঠিত।

আমাদের দাওয়াহ
সালাফিয়্যাহ

সালাফিয়্যাহ হলো ইসলাম ও সুন্নাহ অনুসরণের প্রকৃত পথ। একজন সালাফী হচ্ছেন সেই ব্যক্তি, যিনি অবিকল কোনো পরিবর্তন ছাড়াই সালাফে-সালেহীনের পথকে অনুসরণ করেন।

আমাদের দাওয়াহ
সুন্নী

সুন্নী, আহলুস-সুন্নাহ ওয়াল-জামাআহ, আছহাবুল-হাদীস এবং আহলুল-হাদীস এই সবই সমার্থক উপাধি । এই উপাধিগুলো একই পথের অনুসারী একটি দলকে বুঝায়। যাইহোক, যারা এই উপাধিগুলোকে ব্যবহার করে, তাদের প্রত্যেকেই প্রকৃত অর্থে নিজ দাবির অনুগামী নন। প্রকৃত অর্থে, বেশিরভাগ মানুষ, যারা এই উপাধিগুলোর সাথে নিজেকে যুক্ত করে তারা সালাফে-সালেহীনের আক্বীদাহ ও মানহাজের বিরোধিতা করে। একজন নিছক দাবিদার ও একজন প্রকৃত অনুসারীর মাঝে পার্থক্য স্থাপন করাই এই অনুচ্ছেদের অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য।

আমাদের দাওয়াহ

Discover more from Markaz At-Tahawee

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading