Generic selectors
Exact matches only
Search in title
Search in content
Post Type Selectors
Generic selectors
Exact matches only
Search in title
Search in content
Post Type Selectors

ব্যক্তির আকীদাহ ও মানহাজ তার সাহচর্য, যাতায়াত ও পরিদর্শন দিয়ে যাচাইকরণ

ভূমিকা

সত্যের সংরক্ষণ ও আহলুস সুন্নাহ তথা সালাফদের অনুসারীদের ঐক্য ও শক্তি বজায় রাখার ক্ষেত্রে রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও তাঁর হেদায়েতের পরিপূর্ণতা থেকে হলো এই মূলনীতি: ব্যক্তিকে তার সাহচর্য দিয়ে যাচাইকরণ। যদিও এতে অগণিত হিকমাহ ও ফায়দা নিহিত আছে যা নিয়ে বিশদ আলোচনা করা যেতে পারে, তবে এক্ষেত্রে এটুকু বলাই যথেষ্ট যে এই পদ্ধতি এবং এর প্রয়োগ মানুষের জন্য রহমত স্বরূপ। কেননা মানুষের বাস্তবতা জানার ক্ষেত্রে তা খুব সহজ একটি প্রক্রিয়া বা মাপকাঠি প্রদান করে, যার মাধ্যমে ঐ ধরনের লোকদের সাথে বিবাদ বা বিতর্কে না জড়িয়ে বাস্তবে ঐ লোকেরা কী বিশ্বাস পোষণ করছে বা তাদের অন্তরে কী লুকায়িত আছে তা উপলব্ধি করা যাবে, বিশেষ করে যদি তাদের ভুল-ভ্রান্তি, সন্দেহ ও মিথ্যাচার উপলব্ধি করার জ্ঞান কারও না থাকে। সুতরাং, এটি খুব সহজ একটি পদ্ধতি যা প্রয়োগ করা উচিত।

তাদের বন্ধুত্ব, মিত্রতা, সাহচর্য বা পরিদর্শন ও তাদের সাহচর্যে কারা আসে বা তাদেরকে কারা পরিদর্শন করে এটুকু জানাই কোনো ব্যক্তির জন্য যথেষ্ট, কেননা এর দ্বারা তাদের বাস্তবতাটুকু উপলব্ধি করা যায়। এটা দ্বীনের আহ্বায়কদের ক্ষেত্রে বিশেষভাবে প্রযোজ্য, যারা বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে বক্তৃতা দেয়।

এর পিছনে ব্যাখ্যা হলো যে, মনের অভ্যন্তরীণ অবস্থা বাহ্যিক অভিব্যক্তি ও কর্ম দ্বারা আবদ্ধ। তাই একজন মানুষ তার অন্তরে যা কিছু ধারণ করে, বিশ্বাস করে, অনুভব করে বা গোপন করে, সেটা তার বাহ্যিক অভিব্যক্তির মাধ্যমে প্রকাশ পেতে বাধ্য। যদিও একজন ব্যক্তি তার কথাবার্তা ও আচরণের মাধ্যমে অনেক কিছু লুকিয়ে রাখতে সক্ষম হয়, তবে যা সহজে লুকিয়ে রাখা যায় না তা হলো তার সাহচর্য, যোগাযোগ ও পরিদর্শন। একইভাবে, কথার বিচ্যুতি ও প্রকাশভঙ্গি, একজন ব্যক্তির প্রকৃত অবস্থাকে প্রকাশ করতে পারে।

‘উসমান (رضي الله عنه) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন: [১]

ما أسرَّ أحد سريرة إلا أظهرها الله- عز وجل- على صفحات وجهه وفلتات لسانه

“কেউ যদি (তার অন্তরে) কিছু গোপন করে, আল্লাহ (عز وجل) তার চেহারার ভঙ্গিমা ও তার মুখের কথা দ্বারা তা উন্মোচন করে দেন।”

আজ আমরা এমন লোকদের মাধ্যমে তা অবলোকন করছি যারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লেখালেখি করেন, এবং তাদের কথোপকথন ও পোস্টে নিজেদের বাস্তবতাকে অবচেতন মনে প্রকাশ করে বেড়ান।

সুতরাং, মানুষের বাস্তবতা, তাদের আনুগত্য ও মিত্রতা (এইসব) তাদের কর্মকান্ড ও সাহচর্য থেকে খুব সহজে অনুমেয়, যা একই সাথে তাদের অন্তরস্থ ভালোবাসা, ঘৃণা, বিশ্বস্ততা, বিশ্বাসঘাতকতা ও আংশিকভাবে তাদের আকীদাকেও উন্মোচিত করে।

তাই এটা বিদাতী ও পথভ্রষ্ট লোকদের সবচেয়ে ঘৃণিত বিষয়ের মধ্য হতে একটি, কারণ এটা তাদের বাস্তবতাকে উন্মোচন করে ও তাদেরকে অনাচ্ছাদিত করে দেয়। এই কারণেই বিংশ শতাব্দীতে, ‘ব্যক্তিকে তার সাহচর্য দিয়ে যাচাইকরণ’ থেকে শুরু করে সুন্নাহর বহু গুরুত্বপূর্ণ নীতিমালাকে ধ্বংস করার জন্য ইখওয়ানুল মুসলিমূন ও তাদের বিভিন্ন উপদলেরা প্রচুর অপচেষ্টা চালায়-পরবর্তীতে তাদের অনেকেই নিজেদের সালাফী বলে দাবি করে!

ব্যক্তিকে তার সাহচর্য দিয়ে যাচাইকরণ

১. আবূ হুরায়রাহ (رضي الله عنه) বলেছেন রাসূল (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন: [২]

“ব্যক্তি তার সঙ্গীর দ্বীনের উপর প্রতিষ্ঠিত থাকে, সুতরাং তোমাদের প্রত্যেকেই যেন দেখে সে কাকে নিজ সঙ্গী হিসেবে গ্রহণ করছে।”

২. আব্দুল্লাহ বিন মাস‘ঊদ (رضي الله عنه) বলেন: [৩]

“নিঃসন্দেহে ব্যক্তি তার সাথেই চলে ও তার সাহচর্যেই থাকে যাকে সে ভালোবাসে এবং যে তার সদৃশ।”

৩. আব্দুল্লাহ বিন মাস‘ঊদ (رضي الله عنه) বলেন: [৪]

“পৃথিবীর (বিভিন্ন এলাকার) বিবেচনা তোমরা তাদের নামকরণ দিয়ে করো এবং ব্যক্তির বিবেচনা তোমরা তার সহচরকে দিয়ে করো।”

৪. আবূ দারদা (رضي الله عنه) বলেন: [৫]

“ব্যক্তির ফিক্বহ (বিচক্ষণতা) এর পরিচায়ক হলো সে কার সাথে চলবে, কার সান্নিধ্যে যাবে ও কার সাথে উঠাবসা করবে সেই ব্যাপারে বাছবিচার করবে।”

৫. ইবনু বাত্তাহ (رحمه الله) আবূ ক্বিলাবাহ থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন: [৬]

আল্লাহ সেই কবির [৭] সাথে লড়াই করুন যিনি বলেছেন:

عَنِ المَرءِ لا تَسأَل وَسَل عَن قَرينَهُ *** فَكُلُّ قَرينٍ بِالمُقارِنِ يَقتَدي

“ব্যক্তি সম্পর্কে প্রশ্ন কোরো না, বরং প্রশ্ন করো তার সহচর সম্পর্কে । কেননা, প্রত্যেক ব্যক্তি নিজেকে তার সহচরের মাধ্যমে পরিচালিত করে।”

এই সম্পর্কে ইবনু বাত্তাহ বলেছেন:

এই কবিতা হলো ‘আদী বিন যাইদের এবং আল-আসমায়ী এই ব্যাপারে বলেছেন, “আদী বিন যাইদের এই কথার চেয়ে সুন্নাহর সাথে অধিক সাদৃশ্যপূর্ণ আর কোনো কবিতার লাইন আমি আগে কখনও শুনিনি।”

৬. ইয়াহ্ইয়া বিন কাসীর رحمه الله বলেন: [৮]

সুলায়মান বিন দাঊদ (عليه السلام) বলেন: “কারও ব্যাপারে নির্দিষ্ট কোরে কোনও কিছু বোলো না যতক্ষণ না তুমি দেখছ সে কাকে নিজ বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করছে।”

৭. মূসা বিন ‘উক্ববাহ আস-সূরী বাগদাদ এসে পৌঁছালেন ও তা ইমাম আহমাদ رحمه الله কে জানানো হলো। অতঃপর তিনি বললেন:[৯]

“তোমরা দেখো সে কার গৃহে প্রবেশ করে, সে কার সাথে অবস্থান করে ও কার কাছে আশ্রয় নেয়।”

৮. মুহাম্মাদ বিন ‘উবায়দ আল-গাল্লাবী (رحمه الله) বলেন: [১০]

“আহলুল আহওয়া (প্রবৃত্তির অনুসারীরা) তাদের অন্তরঙ্গ বন্ধুত্ব ও সাহচর্য বাদে সবকিছুকে গোপন করে।”

৯. মুআয বিন মুআয (رحمه الله) ইয়াহ্ইয়া বিন সাঈদ কে বললেন: [১১]

“হে আবা সাঈদ! কোনো ব্যক্তি হয়তো আমাদের কাছে তার দৃষ্টিভঙ্গিকে লুকাতে পারবে, কিন্তু তার সন্তান, তার বন্ধু বা সে যার সাথে বসে তাদের মধ্যে যা আছে সেটা সে লুকাতে পারবে না।”

১০. ইবনু ‘আওন رحمه الله বলেছেন: [১২]

“যারা আহলুল বিদআহর সাথে বসে তারা আমাদের নিকট আহলুল বিদআহর চেয়েও অধিক বিপজ্জনক।”

১১. ইমাম আল-আওযায়ী رحمه الله বলেছেন: [১৩]

“কেউ তার বিদআতকে আমাদের কাছ থেকে লুকাতে সক্ষম হলেও তার সাহচর্য আমাদের কাছ থেকে লুকাতে সক্ষম হবে না।”

১২. আল-আ’মাশ رحمه الله বলেছেন: [১৪]

“সালাফগণ কোনো ব্যক্তির বিষয়ে ৩টি প্রশ্ন করার পর আর কোনও প্রশ্ন করতেন না: সে কার সাথে চলে, সে কার নিকট যাওয়া-আসা করে, এবং মানুষের মাঝে সে কার সাথে মিলিত হয়।”

১৩. ইয়াহ্ইয়া বিন সাঈদ আল-কাত্তান বলেছেন: [১৫]

“সুফিয়ান আস-সাওরী যখন বাসরায় এলেন তখন তিনি আর-রাবী‘ বিন সুবাইহকে পর্যবেক্ষণ করা শুরু করলেন এবং তার সম্পর্কে লোকেরা কি ধারণা পোষণ করে তা লক্ষ্য করলেন। অতঃপর তিনি তাদের জিজ্ঞাসা করলেন, “তার মাযহাব কি?”, তারা বলল, “তার মাযহাব সুন্নাহ ছাড়া আর কিছুই না।” তিনি তখন জিজ্ঞাসা করলেন, “তার সাহচর্যে কারা আছে?”, তারা উত্তর দিল, “ক্বাদারিয়ারা”, অতঃপর তিনি বললেন, “সেক্ষেত্রে সে একজন ক্বাদারী।””

ইবনু বাত্তাহ (এই উক্তি উদ্ধৃত করার পর তাতে) মন্তব্য করেছেন:

“সুফিয়ান আস-সাওরীর উপর আল্লাহর রহমত বর্ষিত হোক। তিনি প্রজ্ঞার সহিত কথা বলেছেন এবং তিনি সত্য বলেছেন। তিনি এমন ইলমের ভিত্তিতে কথা বলেছেন যা কিতাব ও সুন্নাহর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ, প্রজ্ঞার পরিচায়ক এবং যা নিশ্চিতরূপে অন্তর্দৃষ্টিসম্পন্ন লোকেরা ভালো করে জানেন। মহান আল্লাহ বলেন: “হে মুমিনগণ! তোমরা নিজেদেরকে ব্যতীত অন্য কাউকে অন্তরঙ্গ বন্ধু হিসেবে গ্রহণ কোরো না। তারা তোমাদের অনিষ্ট করতে ক্রটি করবে না; তারা তোমাদের মারাত্মক ক্ষতি কামনা করে ।”” (৩:১১৮)

১৪. আবূ দাঊদ আস-সিজিস্তানী (رحمه الله) বলেন: [১৬]

“আমি আবূ আব্দিল্লাহ আহমাদ বিন হাম্বালকে বললামঃ আমি আহলুস সুন্নাহর এক ব্যক্তিকে আহলুল বিদআহর কোনো এক ব্যক্তির সাথে দেখতে পাই। আমি কি তাকে তার সাথে কথা বলতে ছেড়ে দিব? তিনি বললেন, “না, প্রথমে তাকে জানিয়ে দিন যে, আপনি যে লোকটির সাথে তাকে দেখেছেন সে একজন বিদাতী, অতএব সে যদি তাকে পরিত্যাগ করে, তবে তার সাথে কথা বলুন, অন্যথায় তাকে তার সমতুল্য হিসেবে গণ্য করুন, যেমন ইবনু মাস‘ঊদ বলেছেন, ‘ব্যক্তি তার সঙ্গীর মতই’।””

লিখেছেন শাইখ আবূ ইয়াদ্ব আমজাদ রফীক্ব
https://abuiyaad.com/a/juding-person-companionship


টীকা


১. ইবনু মুফলিহ কর্তৃক আল-আদাবুশ শারীয়াহ (১/১৩৬)
২. সহীহ। আলবানী কর্তৃক আল-সিলসিলাতুস সাহীহাহ (নং. ৯২৭)
৩. আল-ইবানাহ (২/৪৭৬)
৪. আল-ইবানাহ (২/৪৭৯)
৫. আল-ইবানাহ (২/৪৭৭)
৬. আল-ইবানাহ (২/৪৩৯)
৭. আশ্চার্যান্বিত হওয়ার বহিঃপ্রকাশ
৮. আল-ইবানাহ (২/৪৬৪)
৯. আল-ইবানাহ (২/৪৮০)
১০. আল-ইবানাহ (২/৪৮২)
১১. আল-ইবানাহ (২/৪৩৭)
১২. আল-ইবানাহ (২/২৭৩)
১৩. আল-ইবানাহ (২/৪৭৬)
১৪. আল-ইবানাহ (২/৪৭৮)
১৫. আল-ইবানাহ (২/৪৫৩)
১৬. ত্বাবাক্বাত আল-হানাবিলাহ (১/১৬০)

 

Support The Da'wah In Bangladesh

Recent Posts

Recommended Readings

ইসলাম

ইসলাম হলো আদম (‘আলাইহিস সালাম) থেকে মুহাম্মাদ (ﷺ) পর্যন্ত সকল নবীর দীন। একজন মুসলিম হলেন সেই ব্যক্তি যিনি এই দীনকে কবুল করেন এবং এর উপর আমল করেন। মুসলিমরা একমাত্র সত্য মা'বূদ (আরবিতে আল-ইলাহ) আল্লাহকে বাদ দিয়ে অন্য কারো ইবাদত করেন না। মুসলিমরা সকল প্রকার শিরক পরিত্যাগ করেন এবং তারা মানবজাতির প্রতি প্রেরিত সর্বশেষ রাসূল মুহাম্মাদ (ﷺ)-এর প্রদর্শিত শিক্ষার অনুসরণ করেন। এটিই হলো সালাফিয়্যাহর ভিত্তি।

আমাদের দাওয়াহ
সুন্নাহ

সুন্নাহ হলো নবী (ﷺ) ও তাঁর সাহাবাদের পথ। যিনি এই পথের অনুসরণ করেন তাকে সুন্নী বলা হয় এবং তিনি আহলুস-সুন্নাহ ওয়াল জামাআহ’র অন্তর্ভুক্ত। মাঝেমধ্যে, শিয়া সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত নয় এমন কাউকে বুঝানোর জন্যও সুন্নী শব্দটি সাধারণভাবে ব্যবহৃত হয়। তবে, শুধু শিয়া না হওয়াটা কোনো ব্যক্তিকে পথভ্রষ্টতায় নিপতিত হওয়া থেকে বাঁচানোর জন্য যথেষ্ট নয়।

আমাদের দাওয়াহ
আস-সালাফ আস-সালেহ

আস-সালাফ আস-সালেহ হলেন মুহাম্মাদ (ﷺ)-এর সাহাবা ও তাঁদের পরবর্তী তিন প্রজন্ম। তাদেরকে আহলুস-সুন্নাহ ওয়াল-জামা’আহ, আস-সালাফ,আছহাবুল-হাদীস এবং আহলুল-হাদীসও বলা হয়। যে ব্যক্তি তাঁদের পথকে কবুল করেন এবং তাঁদের আক্বীদাহ, মানহাজ ও দীনকে অবিকল অনুসরণ করেন, তিনি প্রকৃত হিদায়াতের উপর প্রতিষ্ঠিত।

আমাদের দাওয়াহ
সালাফিয়্যাহ

সালাফিয়্যাহ হলো ইসলাম ও সুন্নাহ অনুসরণের প্রকৃত পথ। একজন সালাফী হচ্ছেন সেই ব্যক্তি, যিনি অবিকল কোনো পরিবর্তন ছাড়াই সালাফে-সালেহীনের পথকে অনুসরণ করেন।

আমাদের দাওয়াহ
সুন্নী

সুন্নী, আহলুস-সুন্নাহ ওয়াল-জামাআহ, আছহাবুল-হাদীস এবং আহলুল-হাদীস এই সবই সমার্থক উপাধি । এই উপাধিগুলো একই পথের অনুসারী একটি দলকে বুঝায়। যাইহোক, যারা এই উপাধিগুলোকে ব্যবহার করে, তাদের প্রত্যেকেই প্রকৃত অর্থে নিজ দাবির অনুগামী নন। প্রকৃত অর্থে, বেশিরভাগ মানুষ, যারা এই উপাধিগুলোর সাথে নিজেকে যুক্ত করে তারা সালাফে-সালেহীনের আক্বীদাহ ও মানহাজের বিরোধিতা করে। একজন নিছক দাবিদার ও একজন প্রকৃত অনুসারীর মাঝে পার্থক্য স্থাপন করাই এই অনুচ্ছেদের অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য।

আমাদের দাওয়াহ

Discover more from Markaz At-Tahawee

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading