কথা বলছি ২০১৯ টেম্পলটন পুরস্কার বিজয়ীর সাথে, যিনি বিজ্ঞানের পরিধি, বিনয়ের অপরিহার্যতা এবং নাস্তিক্যবাদের অযৌক্তিকতা সম্পর্কে স্পষ্ট ও দ্ব্যর্থহীনভাবে কথা বলেন
তিনি বলেছেন:
“আমি সত্যিই মনে করি নাস্তিক্যবাদ বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির সাথে অসংগতিপূর্ণ। এর দ্বারা আমি যা বুঝাতে চাচ্ছি তা হলো, নাস্তিক্যবাদ আসলে কি? এটি একটি উক্তি, একটি সুস্পষ্ট উক্তি যা নাস্তিক্যবাদের উপর বিশ্বাস স্থাপন করাকে ব্যক্ত করে। (অর্থাৎ) “আমি বিশ্বাস করি না যদিও আমার কাছে এর পক্ষে বা বিপক্ষে কোনো প্রমাণ নেই, আমি শুধু বিশ্বাস করি না।” ব্যস। (সুতরাং) এটি একটি ঘোষণা। কিন্তু আমরা আসলে বিজ্ঞানে ঘোষণা দেই না। আমরা বলি, “ঠিক আছে, আপনার একটি পূর্বানুমান (hypothesis) থাকতে পারে, তবে আপনার কাছে এর পক্ষে বা বিপক্ষে কিছু প্রমাণ থাকতে হবে।” এর প্রেক্ষিতে একজন সংশয়বাদী (agnostic) বলতে পারে, দেখুন, আমার কাছে স্রষ্টার অস্তিত্ব সম্পর্কে বা কোনো প্রকারের স্রষ্টা (প্রথমত তিনি কোন স্রষ্টা? মাওরিদের স্রষ্টারা, নাকি ইহুদি, খ্রিষ্টান অথবা মুসলিমদের স্রষ্টা? কোন স্রষ্টার কথা বলছেন?) সম্পর্কে কোনো প্রমাণ নেই। কিন্তু সে একই সংশয়বাদী স্বীকার করবে যে, যে বিষয়ে সে কিছু জানে না সে বিষয়ে তার চূড়ান্ত কিছু বলার অধিকার নেই। “প্রমাণের অনুপস্থিতি অনুপস্থিতির প্রমাণ নয়,” এবং এই জাতীয় সব কথাবার্তা। এটি সকল “নব্য নাস্তিকদের” বিরুদ্ধে আমার অবস্থানকে স্পষ্ট করে – যদিও আমি চাই, আমার বার্তা মানুষের বিশ্বাস এবং যুক্তির প্রতি শ্রদ্ধাশীল হোক, যা (বিশ্বাস এবং যুক্তি) কোনো সম্প্রদায় বা মর্যাদাকে কেন্দ্র করে হতে পারে। এবং আমি স্পষ্টতই মনে করি যে, টেম্পলটন ফাউন্ডেশন এসব পছন্দ করে, কারণ এটি একটি উদীয়মান আলোচনার অংশ। এখানে শুধু আমি নই; বরং আমার সহকর্মী জ্যোতির্পদার্থবিজ্ঞানী অ্যাডাম ফ্রাঙ্ক সহ আরও অনেকে আছেন, যারা বিজ্ঞান ও আধ্যাত্মিকতার মাঝে সম্পর্ক নিয়ে আরও বেশি বেশি কথা বলছেন।”
Share this:
- Share on X (Opens in new window) X
- Share on Facebook (Opens in new window) Facebook
- Email a link to a friend (Opens in new window) Email
- Share on Pinterest (Opens in new window) Pinterest
- Share on Telegram (Opens in new window) Telegram
- Share on WhatsApp (Opens in new window) WhatsApp
- Print (Opens in new window) Print
- Share on LinkedIn (Opens in new window) LinkedIn
- Share on Tumblr (Opens in new window) Tumblr

















