Generic selectors
Exact matches only
Search in title
Search in content
Post Type Selectors
Generic selectors
Exact matches only
Search in title
Search in content
Post Type Selectors

বিদাতীর জন্য রহমতের দোয়া করা প্রসঙ্গে

প্রশ্ন: বিদাতীদের জন্য জানাযার সালাত আদায়ের ক্ষেত্রে আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামাআতের নীতি কি? আর তাদের জন্য কি রহমতের দোয়া করা যাবে?

আল্লামাহ শাইখ ডক্টর রাবী ইবনু হাদী আল-মাদখালী (হাফিযাহুল্লাহ):

উত্তর: যদি আপনি সালাফদের বইসমূহ অধ্যয়ন করেন, তবে আপনি দেখবেন যে তারা প্রকাশ্য বিষয়গুলোর (বিদাতগুলোর) ক্ষেত্রে যেমন কেউ যখন ‘কুরআন সৃষ্ট’ একথা বলেছে অথবা আল্লাহর সিফাতগুলোর তাতিল (মিথ্যা প্রতিপন্নকরণ, অস্বীকার ও অপব্যাখ্যা) করেছে বা অনুরূপ কোনো বিষয়ে পতিত হয়েছে তখন তারা তাদেরকে বিদাতী বলে আখ্যায়িত করেছেন, বারাকাল্লাহু ফীকা। আর রহমতের দোয়া করার ক্ষেত্রে সালাফগণ কিবলার অনুসারী সকল মুসলিমের জন্য এটি করা বৈধ মনে করতেন যতক্ষণ তারা কিবলার অনুসরণ করতেন এবং কিবলার দিকে সালাত আদায় করতেন। এই বিষয়টি সালাফদের বই-পুস্তকে বিপুল পরিমাণে বিদ্যমান। কারণ যখন তাদের জানাযার সালাত আদায় করা হবে তখন সেটিই হবে তাদের জন্য দোয়া। যদি সেখানে অনুসরণীয় কোনো ইমাম থাকেন তবে তিনি ঐ বিদাতীর জানাযার সালাত আদায় নাও করতে পারেন যাতে মানুষ বিদাতের হীনতা সম্পর্কে জানতে পারে। বাকি লোকজন তার জানাযার সালাত আদায় করতে পারে। বরং এই সালাত আদায় করা তাদের উপর ওয়াজিব যদিও ঐ লোক ইতোমধ্যে বিদাতে ডুবে ছিল, কারণ এটি ফরজে কিফায়াহ (এমন ফরজ যা কিছু সংখ্যক লোক আদায় করে নিলে বাকিরা তা না করলে কারও উপর পাপ বর্তাবে না)। আর তারা তার জন্য রহমতের দোয়াও করতে পারে। সেখানে যদি এমন কোনো ব্যক্তি উপস্থিত থাকেন যাকে অনুসরণ করা হয় এবং তিনি তাদেরকে (বিদাতীদের ব্যাপারে আহলুস সুন্নাহর মানহাজ) শেখাতে চান সেক্ষেত্রে তিনি মৃত ব্যক্তির জন্য রহমতের দোয়া করবেন না। কিন্তু তার জন্য রহমতের দোয়া করাকে হারাম বলা যাবে না এবং এত্থেকে থেকে নিষেধ করা যাবে না।

Support The Da'wah In Bangladesh

Recent Posts

Recommended Readings

ইসলাম

ইসলাম হলো আদম (‘আলাইহিস সালাম) থেকে মুহাম্মাদ (ﷺ) পর্যন্ত সকল নবীর দীন। একজন মুসলিম হলেন সেই ব্যক্তি যিনি এই দীনকে কবুল করেন এবং এর উপর আমল করেন। মুসলিমরা একমাত্র সত্য মা'বূদ (আরবিতে আল-ইলাহ) আল্লাহকে বাদ দিয়ে অন্য কারো ইবাদত করেন না। মুসলিমরা সকল প্রকার শিরক পরিত্যাগ করেন এবং তারা মানবজাতির প্রতি প্রেরিত সর্বশেষ রাসূল মুহাম্মাদ (ﷺ)-এর প্রদর্শিত শিক্ষার অনুসরণ করেন। এটিই হলো সালাফিয়্যাহর ভিত্তি।

আমাদের দাওয়াহ
সুন্নাহ

সুন্নাহ হলো নবী (ﷺ) ও তাঁর সাহাবাদের পথ। যিনি এই পথের অনুসরণ করেন তাকে সুন্নী বলা হয় এবং তিনি আহলুস-সুন্নাহ ওয়াল জামাআহ’র অন্তর্ভুক্ত। মাঝেমধ্যে, শিয়া সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত নয় এমন কাউকে বুঝানোর জন্যও সুন্নী শব্দটি সাধারণভাবে ব্যবহৃত হয়। তবে, শুধু শিয়া না হওয়াটা কোনো ব্যক্তিকে পথভ্রষ্টতায় নিপতিত হওয়া থেকে বাঁচানোর জন্য যথেষ্ট নয়।

আমাদের দাওয়াহ
আস-সালাফ আস-সালেহ

আস-সালাফ আস-সালেহ হলেন মুহাম্মাদ (ﷺ)-এর সাহাবা ও তাঁদের পরবর্তী তিন প্রজন্ম। তাদেরকে আহলুস-সুন্নাহ ওয়াল-জামা’আহ, আস-সালাফ,আছহাবুল-হাদীস এবং আহলুল-হাদীসও বলা হয়। যে ব্যক্তি তাঁদের পথকে কবুল করেন এবং তাঁদের আক্বীদাহ, মানহাজ ও দীনকে অবিকল অনুসরণ করেন, তিনি প্রকৃত হিদায়াতের উপর প্রতিষ্ঠিত।

আমাদের দাওয়াহ
সালাফিয়্যাহ

সালাফিয়্যাহ হলো ইসলাম ও সুন্নাহ অনুসরণের প্রকৃত পথ। একজন সালাফী হচ্ছেন সেই ব্যক্তি, যিনি অবিকল কোনো পরিবর্তন ছাড়াই সালাফে-সালেহীনের পথকে অনুসরণ করেন।

আমাদের দাওয়াহ
সুন্নী

সুন্নী, আহলুস-সুন্নাহ ওয়াল-জামাআহ, আছহাবুল-হাদীস এবং আহলুল-হাদীস এই সবই সমার্থক উপাধি । এই উপাধিগুলো একই পথের অনুসারী একটি দলকে বুঝায়। যাইহোক, যারা এই উপাধিগুলোকে ব্যবহার করে, তাদের প্রত্যেকেই প্রকৃত অর্থে নিজ দাবির অনুগামী নন। প্রকৃত অর্থে, বেশিরভাগ মানুষ, যারা এই উপাধিগুলোর সাথে নিজেকে যুক্ত করে তারা সালাফে-সালেহীনের আক্বীদাহ ও মানহাজের বিরোধিতা করে। একজন নিছক দাবিদার ও একজন প্রকৃত অনুসারীর মাঝে পার্থক্য স্থাপন করাই এই অনুচ্ছেদের অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য।

আমাদের দাওয়াহ

Discover more from Markaz At-Tahawee

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading